এফএকিউ
প্রশ্নোত্তর ও জিজ্ঞাসা
হেযবুত তওহীদ সম্পর্কে সাধারণ কিছু প্রশ্ন ও তার দাপ্তরিক উত্তরসমূহ।
সাধারণ জিজ্ঞাসা ও প্রশ্নোত্তর
আন্দোলনের পরিচিতি, উদ্দেশ্য ও বিভিন্ন বিষয়ে সাধারণ মানুষের জিজ্ঞাসাগুলোর দাপ্তরিক ও যুক্তিপূর্ণ উত্তর।
না, হেযবুত তওহীদ সম্পূর্ণ অরাজনীতিক সংস্কারমূলক সামাজিক আন্দোলন। এটি কোনো নির্বাচনে অংশ নেয় না এবং ক্ষমতার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। এর একমাত্র উদ্দেশ্য নৈতিক ও সামাজিক সংস্কার এবং সমাজে শান্তি ও সত্যের প্রতিষ্ঠা করা। ডানপন্থী-বামপন্থী বা ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
আমাদের আন্দোলন অসত্যের বিরুদ্ধে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে, ধর্মব্যবসার বিরুদ্ধে, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে, সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে। আমরা কোনো মানুষের বা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর শত্রু নই; বরং আমরা সকল অনৈক্য ও কুসংস্কারের অবসান ঘটিয়ে সত্য ও ঐক্যের প্রচার করতে কাজ করে যাচ্ছি।
আন্দোলনের সদস্যরা সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে এবং স্বেচ্ছাপ্রদত্ত দানের (এয়ানত) মাধ্যমে এর ব্যয়ভার বহন করেন। কোনো জাতীয় বা আন্তর্জাতিক কালো তহবিল বা রাজনৈতিক অনুদান গ্রহণ করা হয় না। এছাড়া আন্দোলনের নিজস্ব প্রকাশনা, বই ও পত্রিকা বিক্রয়ের আয়ের মাধ্যমে এর কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়।
সমগ্র মানবজাতিকে এক স্রষ্টার হুকুমের অধীনে ঐক্যবদ্ধ করে অশান্তিময় সমাজকে শান্তিময় সমাজে রূপান্তরিত করা। ধর্মকে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার না করে, ধর্মব্যবসা, জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার অবসান ঘটিয়ে সত্যের ওপর ভিত্তি করে একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠন করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
না, হেযবুত তওহীদ কোনো নির্দিষ্ট তরিকাপন্থা বা পীর-মুরিদী ব্যবস্থার অংশ নয়। আমরা মুসলিম উম্মাহর শিয়া-সুন্নি বা বিভিন্ন তরিকতভিত্তিক অনৈক্যের বিপরীতে রসুলের দেখানো সামগ্রিক সামাজিক সংগ্রাম ও প্রকৃত ইসলামের সোনালী যুগের ঐক্যের পুনরুদ্ধারকেই অগ্রাধিকার দেই।
হেযবুত তওহীদ কোনো ধরণের সহিংসতা, বোমাবাজি বা সশস্ত্র চরমপন্থাকে সমর্থন করে না। জেহাদ অর্থ সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার শান্তিময় আদর্শিক লড়াই। সশস্ত্র যুদ্ধ বা কেতাল কেবল একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র করতে পারে, কোনো ব্যক্তি বা দল নিজের হাতে আইন তুলে নিয়ে তা করতে পারে না।
ইসলামে নারীদের মুখমণ্ডল ঢেকে পর্দা করার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। শালীনতা বজায় রেখে নারীরা সমাজ ও দেশ গঠনের সকল সামাজিক, দাপ্তরিক ও নেতৃত্বের কাজে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারেন। রসুলাল্লাহর যুগেও নারী আসহাবগণ চিকিৎসা, কৃষি ও জ্ঞানচর্চাসহ সকল প্রকার সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতেন।