আদর্শিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি

সংস্কৃতির মাধ্যমে ধর্মের প্রকৃত রূপ উদ্ভাসন

13 Feb, 2023 Super Admin 530 ভিউ
সংস্কৃতির মাধ্যমে ধর্মের প্রকৃত রূপ উদ্ভাসন

একটা মহাসত্য আমাদের এই ষোল কোটি বাঙালিকে হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করতে হবে; সেটা হলো, সময় সব সময় সমান যায় না। বর্তমান সময়টা আমাদের জন্য গভীর এক সংকটকাল। আমাদের সমাজ, দেশ, জাতি এক ঘোরতর সংকটে নিমজ্জিত। আমাদের অমূল্য সম্পদ ধর্মবিশ্বাস অর্থাৎ ঈমানকে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী বার বার ভুলপথে প্রবাহিত করে একাধারে ধর্মকে কালিমালিপ্ত করছে ও জাতির অকল্যাণ সাধন করছে। তাদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে সরলপ্রাণ ধর্মবিশ্বাসী মানুষগুলো আল্লাহর সন্তুষ্টি ও পরকালীন মুক্তির আশায় ধর্মের নামে নৈরাজ্য ও সহিংসতা সৃষ্টিতে ব্যবহৃত হচ্ছে। তাদের ঈমানকে ব্যবহার করে ধর্মব্যবসায়ী গোষ্ঠী স্বার্থ হাসিল করছে। এতে না ব্যক্তি উপকৃত হয়েছে, না জাতি উপকৃত হয়েছে। বরং এসবের দ্বারা ধর্মবিশ্বাসী মানুষগুলো ইহকাল-পরকাল উভয়জীবনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধর্মব্যবসায়ীদের অযৌক্তিক সব কর্মকাণ্ডের কারণে মানুষ ধর্মের উপরই আস্থা হারাচ্ছে, ধর্মের নামে এসব অন্ধত্ব দেখে অনেকেই ধর্মকে অবজ্ঞার দৃষ্টিতে দেখছেন, তারা ধর্মকেই অচল, অপ্রয়োজনীয়, পরিত্যাজ্য বলে প্রচারণা চালাচ্ছে।

আমাদের ধর্মবিশ্বাস অর্থাৎ ঈমান আমাদের একটা শক্তিশালী চেতনা, জাতীয় সম্পদ; আমরা এই শক্তিতে বলীয়ান। এই ঈমানকে দেশ জাতি এবং সমাজের কল্যাণে, জাতির ঐক্য উন্নতি প্রগতিতে কাজে লাগানো সম্ভব। আজ ধর্ম ও এবাদতের মানে কেবল উপাসনা-আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ করে রাখায় এ থেকে ধর্মব্যবসায়ীরা লাভবান হলেও জাতি কিছুই পাচ্ছে না। মানুষ কেবল দেহসর্বস্ব প্রাণী নয়, তার একটি আত্মাও আছে। শুধু জৈবিক চাহিদাপূরণেই মানুষ তৃপ্ত হয় না, তার সৌন্দর্যবোধ, আত্মমর্যাদাবোধ, সুকুমারবৃত্তি ইত্যাদি আছে। এগুলোর সন্তোষবিধান না করা হলে সে সুখী হতে পারে না। তার কেবল জাগতিক জীবন নয়, একটি পরকালীন জীবনও আছে। কাজেই সকল ধর্মই মানুষের উভয় জগতের কল্যাণ সাধনের জন্যই এসেছে, কেবল দুনিয়া বা কেবল পরকালের জন্য নয়। ধর্মের শিক্ষা হচ্ছে, রাত জেগে স্রষ্টার সান্নিধ্য লাভের জন্য প্রার্থনা করা, তাহাজ্জুদের নামাজ পড়া যেমন সওয়াবের কাজ, তেমনি মানুষ যেন নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারে, নির্ভয়ে চলাচল করতে পারে, দুস্কৃতকারীরা ধ্বংসাত্মক কাজ না করতে পারে সে লক্ষ্যে রাত জেগে পাহারা দেওয়াও বড় সওয়াবের কাজ। এক কথায় মানুষকে সুখ-শান্তি, নিরাপত্তার মধ্যে রাখার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোই মানুষের প্রকৃত এবাদত। এই এবাদত করলেই সে পরকালে জান্নাত পাবে। কিন্তু জাতীয়-সামাজিক উন্নয়নের কাজকে আজ ধর্মীয় কাজ বলে কোথাও শিক্ষা দেওয়া হয় না, ধর্মের এ দিকটিকে ঢেকে ফেলা হয়েছে। ধর্মের কোনো বাস্তবমুখী, জীবনমুখী চর্চা আমাদের সমাজে নেই, আছে কেবল সংকীর্ণতা, আত্মকেন্দ্রিক পরকালমুখিতা, সহিংসতা, সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদ। জাতির ঐক্য নষ্ট করা যে কুফর তা শেখানো হয় না, ষোল কোটি মানুষ প্রায় সকলেই ধর্মবিশ্বাসী হলেও সর্বত্র চলে অনৈক্যের শিক্ষা, অপরের বিষোদগার ও ষড়যন্ত্র করে জয়ী হওয়াই যেন এক শ্রেণির রাজনীতিক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের লক্ষ্য। আজ কেবল মসজিদে, মাদ্রাসায় দানকেই বলা হয় আল্লাহর রাস্তায় দান। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে যে রাস্তায় মানুষ চলাচল করে সেই রাস্তা নির্মাণের জন্য দান করাও আল্লাহর রাস্তায় দানের অন্তর্ভুক্ত। এই শিক্ষা দেওয়া হয় না। এই শিক্ষা না থাকায় কেউই জাতীয় উন্নয়নের কাজে অংশ নেওয়াকে এবাদত বলে মনে করছেন না। আজ যদি ধর্মের এই প্রকৃত উদ্দেশ্য ও শিক্ষাকে মানুষের সামনে তুলে ধরা যায় তাহলে আমাদের দেশে যে সম্পদের প্রাচুর্য আল্লাহ দান করেছেন, তা দিয়েই আমরা উন্নতির শিখরে পৌঁছতে পারব। ধর্মবিশ্বাসের মতো এত বড় সম্পদ আজ পচে গলে নষ্ট হচ্ছে। কাজেই আমাদের কথা হচ্ছে, মানুষের ধর্মবিশ্বাসকে অবজ্ঞা করা নয়, খাটো করা নয়, বরং এই মহাশক্তিকে জাতির উন্নয়নে লাগাতে হবে।

ধর্মব্যবসায়ীদের অপব্যাখ্যার শিকার হয়েছে আমাদের সাংস্কৃতিক অঙ্গনও। তারা ধর্মের দোহাই দিয়ে সকল প্রকার শিল্প-সংস্কৃতির চর্চাকে নিষিদ্ধ করে রেখেছে। তারা কেবল একটি নির্দিষ্ট পোশাক, আচার আচরণ, নির্দিষ্ট ভাষা ও সংস্কৃতিকেই অন্য জাতিগোষ্ঠীর উপরে ‘ধর্মীয় সংস্কৃতি’ বলে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালিয়েছে। অথচ প্রতিটি জাতির মধ্যে ভিন্ন সংস্কৃতি সৃষ্টির পেছনে ধর্মের অবদানই মুখ্য। এটা উপলব্ধি না করে তারা একচেটিয়াভাবে চিত্রাঙ্কন, সিনেমা, নাটক, সঙ্গীত, ভাস্কর্যনির্মাণ ইত্যাদির চর্চাকে না-জায়েজ বলে ফতোয়া দিয়ে মানবজাতির প্রগতির পথ, সাংস্কৃতিক বিবর্তনের স্বাভাবিক গতিকে রুদ্ধ করতে চাচ্ছে। অথচ প্রকৃতপক্ষে যে কোনো সুকুমার বৃত্তি যা মানুষের ইতিবাচক মানসিক বিকাশ সাধন করে, মানুষকে আনন্দিত করে, তাকে সৃষ্টিশীল হতে, মানবতার কল্যাণে আত্মনিয়োগ করতে উদ্বুদ্ধ করে তা কোনো ধর্মেই নিষিদ্ধ নয়। ধর্মের চিরন্তন ও মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে শান্তি। যা কিছু মানুষের জাগতিক শান্তির পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে সেটাই ধর্মে নিষিদ্ধ (হারাম) এবং এর বাইরে একটি জিনিসও নিষিদ্ধ (হারাম) নয়। যে কোনো অশ্লীলতার বিস্তার সমাজে অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি করে এটা সমাজবিজ্ঞানীরাও স্বীকার করেন। তাই কোনো প্রকার অশ্লীলতাকেই ধর্ম বৈধতা দেয় না, সেটা চলচ্চিত্রেই হোক বা পোশাকেই হোক বা সাহিত্যেই হোক। এখন পশ্চিমা অশ্লীল সংস্কৃতির প্রভাবে আমাদের দেশের শিল্পাঙ্গনেও অশ্লীলতা প্রকট আকার ধারণ করেছে। তরুণ সমাজ এর দ্বারা নৈতিক অবক্ষয়ের স্বীকার হচ্ছে।

হেযবুত তওহীদের প্রতিষ্ঠাতা এমামুয্যামান জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী এই সত্যটি মানুষের সামনে তুলে ধরেছেন। তিনি নিজেও ছিলেন শুদ্ধ সংস্কৃতির একজন অনুরাগী ও পৃষ্ঠপোষক। শাস্ত্রীয় সংগীতে তাঁর ছিল অগাধ জ্ঞান ও দখল। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কীর্তিকে অমর করে রাখার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত নজরুল একাডেমী’র অন্যতম উদ্যোক্তা ও ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ছিলেন এমামুয্যামান। তরুণ বয়সে তিনি ছিলেন একজন শিকারী, ফুটবলার ও মোটর সাইকেল স্ট্যান্ট। এছাড়াও তিনি ১৯৫৬ সনে রায়ফেল শ্যুটার হিসাবে অবিভক্ত পাকিস্তানের পক্ষ থেকে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অলিম্পিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। আমাদের যুব সমাজকে সুস্থ দেহ ও মনের অধিকারী করার জন্য এবং লুপ্তপ্রায় জাতীয় খেলা কাবাডিকে পুনর্জীবন দেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠা করেন তওহীদ কাবাডি দল। মাননীয় এমামুয্যামানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে হেযবুত তওহীদের বর্তমান এমাম জনাব হোসাইন মোহাম্মদ সেলিমও হেযবুত তওহীদের সদস্যদেরকে ক্রীড়া, শিল্প-সংস্কৃতির চর্চায় উৎসাহিত করছেন। তিনি হেযবুত তওহীদের কেন্দ্রীয় কমিটিতে একজন ক্রীড়া সম্পাদক ও একজন সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মনোনীত করেছেন যাদের মাধ্যমে সারাদেশে হেযবুত তওহীদের সদস্যরা সংশ্লিষ্ট অঙ্গনে যার যার প্রতিভাকে বিকশিত ও প্রকাশিত করার সুযোগ পাচ্ছেন। তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘তওহীদ ফুটবল ক্লাব’, ‘মাটি মিউজিক’ ইত্যাদি সংগঠন।

আমরা তাঁর অনুসারী হিসাবে বলতে চাই, আমাদের প্রিয় এই মাতৃভূমি বাংলাদেশকে ঐক্যবদ্ধভাবে অগ্রগতি, প্রগতির শিখরে পৌঁছানোর দায়িত্ব আমাদের সকলের। অপরাজনীতি, অনাচার, অসহিষ্ণুতা, জঙ্গিবাদসহ যাবতীয় অপশক্তির কবল থেকে সমাজের মানুষকে মুক্ত করে ন্যায় সুবিচার শান্তির মধ্যে রাখার লক্ষ্যে কাজ করা একাধারে আমাদের এবাদত ও সামাজিক কর্তব্য। একাত্তর সনে শিল্পীরা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণা যুগিয়েছেন, এখনো তেমনিভাবে শিল্পীরা অন্যায়, অসত্যের বিরুদ্ধে যদি এই এ জাতিকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জাগানোর জন্য প্রচেষ্টা চালান সেটাও তাদের এবাদত হিসাবে গণ্য হবে। আমরা দেশের সকল সাংস্কৃতিক কর্মী, শিল্পী, সংস্কৃতিমনা ও ক্রীড়ামোদী মানুষকে আহ্বান করছি, আসুন, আমরা যার যার অবস্থান থেকে শতধাবিভক্ত এই জাতিকে ন্যায়ের পক্ষে বজ্রকঠিন ঐক্যবদ্ধ করার জন্য ভূমিকা রাখি।

ট্যাগসমূহ:

মন্তব্য সমূহ (0)

বর্তমানে কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!

আপনার মতামত দিন

জনপ্রিয় ট্যাগ
#মামলার অব্যাহতি #গোলটেবিল বৈঠক #হাইকোর্টের রায় #অপপ্রচার #muchleka #কোরবানি কখন কবুল হবে? #হেযবà§�ত তওহীদ #ইসলামি ইতিহাস #উগ্রবাদ #গুজব #নারী #পর্দা #প্রকৃত ইসলাম #প্রকৃত ইসলামের নারী #হেযবুত তওহীদ #হেযবুত তওহীদের নারী #ইসলাম #নোয়াখালীত #বকধার্মিকতা #মন্তব্য কলাম #মন্তব্য কলাম বাড়ছে বকধার্মিকতা #কারা সেই জান্নাতি ফেরকা? #জান্নাতি #জান্নাতি ফেরকা #মুস্তাফিজ শিহাব #চলমান সঙ্কট #মুখলেছুর রহমান সুমন #রাজনৈতিক ইসলাম #ধর্ম নিয়ে ঘৃণার রাজনীতি #রামমন্দির ও থার্ড টেম্পল #ইসলামের অপব্যাখ্যা #জাতি ভেঙে খানখান #দীন নিয়ে বাড়াবাড়ি #দীন নিয়ে বাড়াবাড়ির #ধর্ম #পরিণাম জাতি ভেঙে খানখান #ফেরেশতা #মানুষ সৃষ্টির #মো’জেজা: কী কেন কীভাবে? #পহেলা বৈশাখ #সংস্কৃতির #সাংস্কৃতিক অঙ্গন #আমল #ঈমান #আদিবা ইসলাম #এমামুযযামান #রিয়াদুল হাসান #লা’নত নাকি পরীক্ষা #লানত #কাঁটাতারে ব্যর্থ #বিশ্বভ্রাতৃত্বের #মুসলিম #রোড টু ফিলিস্তিন #নামাজ #নামাজ কেন পড়ছেন? #মোহাম্মদ আসাদ আলী #ধর্মজীবিকা #ধর্মবিশ্বাসী #শিক্ষাব্যবস্থা #অশান্তি সৃষ্টির কারণ #এম আর হাসান #চরিত্রহীন নেতৃত্ব #বস্তুবাদী সভ্যতা #বাস্তব সমস্যা #মহানবীর (সা.) #দেশকে রক্ষা #বিশ্ব মুসলমান #মদিনার #রাকীব আল হাসান #মাননীয় এমাম #হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম #ইসলামের ইতিহাস #মো’মেনদের #দাজ্জাল #দাজ্জালকে চিনতে হবে #ধর্মব্যবসা #উম্মতে মোহাম্মাদি #তওহীদ #মো’জেজা: #মুসলিমরা আজ সংকটের সম্মুখীন #খলিফা #দীন প্রতিষ্ঠা #দীনের মূল ভিত্তি #লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ #সেরাতুল মোস্তাকিম #২৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী #civilized’ #deterrent #islam world #world #জীবনব্যবস্থা #প্রশ্ন উত্তর #প্রশ্নোত্তর #হেযবুত তওহীদের #hezbuttawheed #hossain mohammad salim #Resolving the Global Crisis #Students #ঐক্য ##MarathonHT #Marathon #lifestyle #ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যের আহ্বান #workplace #religious extremists #democratic system #economic system #politics #Allah #Aqeedah of islam #God #Haj #Jihad #Kital #Prophet Muhammad #terrorism #কোরবানি #ত্যাগ #বজ্রশক্তি #সম্পাদক এসএম সামসুল হুদা #সাক্ষাৎকার #হেযবুত তওহীদের বিজয় #রসুলুল্লাহর সুন্নাহ #দাসপ্রথার #জঙ্গিবাদ #আইয়্যামে জাহেলিয়াত #জেহাদ #দোয়া #সঠিক জীবন ব্যবস্থা #জ্ঞান #বাণী #ইমাম মাহদী #কবিতা #রাজনীতি #মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা #আশুরা #শহীদ #প্রকৃত ইসলামের মসজিদ #মসজিদে নারী #দাউদ খান পন্নী #ঔপনিবেশিক যুগ #সংগীত #স্বাধীনতা #খোলাফায়ে রাশেদীন #যোদ্ধাসুফি #স্বর্ণযুগের মোল্লাতন্ত্র #মানুষ সৃষ্টি #প্রকৃত ইসলামের বিয়ে #বাংলার সুলতানী যুগ #গণমাধ্যম #মহামান্য এমামুযযামানের জীবনবৃত্তান্ত #ইসলাম অর্থ #শান্তি #পাকিস্তান #দৈনিক বজ্রশক্তি #খেলাধুলা #আইনের উৎস #নির্বাচন #সংস্কৃতি #জ্ঞান-বিজ্ঞান #মহানবীর লড়াই #হজ #সাম্যবাদ ও ইসলাম #বাংলাদেশ #কোর’আন #শিক্ষা #নবুয়তপূর্ব জীবন #ইসলামবিদ্বেষী #ইতিহাস ও ইসলাম #চরমোনাই #ওমর (রা.) #তারেক বিন যিয়াদ #কর্মফল #পুঁজিবাদ #মার্কস #হারাম #সুফিবাদ #বাঙালি #মানবজীবন #মুসলিমদের ইতিহাস #প্রশ্ন #রাগ #আকিদা #কমিউনিজম #জান্নাত-জাহান্নাম #মণীষীদের জীবনী #মধ্যযুগীয় বর্বরতা #স্বর্ণযুগ #গণজোয়ার #গণপ্রতিরোধ #তওহীদী জনতা #কর্মজীবন #ইসলাম আবির্ভাব #ইসলামের বিস্তৃতি #অর্থনীতি #রিজিক #বিস্ময়কর আন্দোলন #নারী স্বাধীনতা #মোনাফেক #সাম্প্রদায়িকতা #তাকওয়া #৫ দফা কর্মসূচি